৭ মার্চের ভাষণ শক্তি ও প্রেরণার উৎস: গনি মিয়া বাবুল

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, মার্চ ১১, ২০২১
  • 18 পড়া হয়েছে
৭ মার্চের ভাষণ শক্তি ও প্রেরণার উৎস: গনি মিয়া বাবুল
৭ মার্চের ভাষণ শক্তি ও প্রেরণার উৎস: গনি মিয়া বাবুল

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের শক্তি ও প্রেরণার উৎস। এই ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি। এই ভাষণে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জনের সঠিক দিক নির্দেশনা ছিল। ৭ মার্চকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসমূদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ৭ মার্চের ভাষণের পর ছাত্র-কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। কাজেই ৭ মার্চের এই ভাষণই ছিল মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এবং ৭ মার্চকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস করা হলে কারো কাছে বিতর্ক থাকার কথা নয়। সরকার এই বছর থেকে ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করছেন। কিন্তু এই দিবসের শিরোনাম ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস’ হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরো বলেন, ৭ মার্চকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস নামকরণ করা হলে এই দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বুঝতে সাধারণ জনগণের কাছে সহজ হবে। তিনি আরো বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস ও এই দিনটি সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করার হোক।

দৈনিক বঙ্গজননী পত্রিকার উদ্যোগে ৭ মার্চ বিকেলে মতিঝিলস্থ পত্রিকার নিজস্ব কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ ,মার্চ ও পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক বঙ্গজননীর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক বঙ্গজননীর প্রধান সম্পাদক আলী নিয়ামত, বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক এশিয়া বাণীর প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এড. খান চমন-ই-এলাহী, সাপ্তাহিক ঝুমুর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ মাসুদ আলম প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *