রায়হান হত্যা: আশেক এলাহী ৫ ও হারুন ৩ দিনের রিমান্ডে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২০
  • 11 পড়া হয়েছে
রায়হান হত্যা: আশেক এলাহী ৫ ও হারুন ৩ দিনের রিমান্ডে
রায়হান হত্যা: আশেক এলাহী ৫ ও হারুন ৩ দিনের রিমান্ডে

সিলেট বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে মৃত্যুবরণকারী রায়হান আহমদ হত্যা মমলায় বরখাস্তকৃত দুই পুলিশ সদস্যকে ৫ ও ৩ দিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাদের মধ্যে এএসআই আশেক এলাহীকে প্রথমবারের মতো ৫ দিন ও কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে দ্বিতীয় দফা ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পিবিআই’র আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক মো. জিয়াদুর রহমান।

এর আগে, গতকাল বুধবার রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই (সাময়িক বরখাস্ত) আশেক এলাহীকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরে তাকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়।
শুনানিকালে রায়হান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র ইন্সপেক্টর মাহিদুল ইসলাম আশেক এলাহীকে ৭ দিনের আবেদন করলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এদিকে, রায়হান হত্যা মামলার আরেক অভিযুক্ত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল (সাময়ীক বরখাস্তকৃত) হারুনুর রশিদকে দ্বিতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পিবিআই। প্রথম দফার ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আজ বিকেল ৩টায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় তাকে। পরে পিবিআই’র ইন্সপেক্টর মাহিদুল ইসলামের ৫ দিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক মো. জিয়াদুর রহমান ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত ২৪ অক্টোবর কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে প্রথম দফা ৫ দিনের রিমান্ডে দিয়েছিলেন আদালত। ওই দিন (শনিবার) সকালে হারুনুর রশিদকে পুলিশ লাইন্স থেকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরে তাকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আজ আদালতে শুনানি শেষে পিবিআই’র ইন্সপেক্টর মাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এএসআই আশেকে এলাহীকে ৫ দিনের এবং কনেস্টবল হারুনুর রশিদকে দ্বিতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। রিমান্ড চলাকালে তাদের মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য উদঘাটন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *