করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট ও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অনুমতি বাতিল হওয়া জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে সাবরিনা দুই দফায় ৫ দিনের রিমান্ড ছিলেন।

১২ জুলাই দুপুর ১টার দিকে ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহ করার চুক্তি করেছিল জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (জেকেজি হেলথকেয়ার)। বাসা থেকে ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার ৬০০ টাকার বিনিময়ে তারা নমুনা সংগ্রহ করছিলেন এবং ভুয়া প্রতিবেদন দিচ্ছিলেন। করোনাভাইরাস পরীক্ষার টেস্ট না করেই রিপোর্ট ডেলিভারি দেয়া জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রতারণা নিয়ে দেশে তোলপাড় চলছে। এই প্রতারণার মূলহোতা জেকেজির প্রধান নির্বাহী আরিফ চৌধুরী ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। এ প্রতারণায় আরিফের অন্যতম সহযোগী তার স্ত্রী ও জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান হলেন ডা. সাবরিনা।

জালিয়াতির খবর প্রচার হওয়ার পর থেকে ডা. সাবরিনা জেকেজির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন। এমনকি পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিয়েছিলেন।