শিরোনাম:

ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখার অনিয়মে ঋণ প্রদান

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২০
  • 109 পড়া হয়েছে
ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখার অনিয়মে ঋণ প্রদানন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখার অনিয়মে ঋণ প্রদান
ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখার অনিয়মে ঋণ প্রদান

সারাবিশ্ব যখন কোভিড-১৯ নিয়ে চরম আতঙ্কে, নিজেদের সকল ভুলের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতি যেখানে থমকে গেছে। মহাসংকটময় অনিশ্চিতের দিকে পৃথিবী। সেখানে করোনা পরিস্থিতিতেও অনিয়মে ৬২৫ কোটি টাকা ঋণ প্রদান ন্যাশনাল ব্যাংক মহাখালী শাখার। জানা যায়, ব্যাংকের ঋণ পেতে হলে সর্বচ্চো কাঠখড় পোহাতে হয়। শত শত প্রশ্ন এবং তদন্ত সাপেক্ষে ঋণ প্রদান নিশ্চিত হয়ে থাকলেও ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখা কোনো রকম নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ৬২৫ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করেছে ওমেক্স সিনহা গ্রুপকে। যার মূলে ছিলেন উক্ত শাখাটির ম্যানেজার নিজেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক এর নিয়ম অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে ঋণ সুবিধা দিতে হলে কিছু নিয়ম নীতি মেনে নিয়ে তারপর সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে ঋণ এর সুযোগ দিতে হয়।
সম্প্রতি ন্যাশনাল ব্যাংক এর বোর্ডে এ ঋন অনুমোদিত হয়।
ফাইল টি বোর্ড এ প্রদানের আগে শাখা ব্যাবস্থাপক এর অনেক কিছু নিয়ম নীতি অনুসরণ করে ফাইলটি কে বোর্ড এ প্রেরণ করতে হয়। কিন্তু সৈয়দ রইস উদ্দিন সাহেব, ওমেক্স সিনহা গ্রুপ এর সি আই বি ঠিক না থাকা সত্ত্বেও গোজামিল দিয়ে অনেক তথ্য গোপন করে, শাখা ব্যবস্থাপক এর নিজ পরিকল্পনা মাফিক কার সাজিতে ফাইলটি বোর্ড এ প্রেরন করেন এবং সু কৌশলে মঞ্জুর করে নিয়ে আসেন।
একটি লোন মঞ্জুর হবার পরও কিছু নিয়ম নীতি মেনে তারপর ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে ঋণ প্রদান করতে হয়। যেমন।।
১. ব্যক্তির সিআইবি
২. হেড অফিস এর অনুমোদন
৩.অরিজিনাল মঞ্জুরী পত্র
৪.ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এর প্রদানকৃত জমির মূল দলিল, খারিজ পত্র।
৫. সকল দলিল গুলো রেখে ব্যাংক এর অনুকূলে সাব রেজিস্ট্রার হইতে মরগেজ করা।
এই সকল প্রকৃয়া সম্পন্ন করার পর প্রধান কার্যালয় এর সি আই ডি, বিভাগের অনুমোদন এর পর, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে ঋন সুবিধা দিতে পারে শাখা ব্যবস্থাপক।
কিন্তুু শাখা ব্যবস্থাপক সৈয়দ রইস উদ্দিন সাহেব, ওমেক্স সিনহা গ্রুপ এর ক্ষেত্রে এই সকল কোন নিয়ম না মেনে অনেক তথ্য গোপন করে, নিজের একক ইচ্ছে মতে, ওমেক্স সিনহা গার্মেন্টস এর একাউন্ট এ ৬০ কোটি টাকা দিয়ে দেয়, যেটা ব্যাংক এর কোন আইন এর মধ্যে পরে না তাহলে কেন শাখা ব্যবস্থাপক নিজের একক ইচ্ছায় কাউ কে কিছু না জানিয়ে, কোন স্বার্থে, সে এই ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ করলো, সাধারণ জনগন তা জানতে চায়। কারন এই সকল টাকা সাধারন মানুষের আমানত কৃত টাকা।
ইতি মধ্যে সৈয়দ রইস উদ্দিন সাহেব এর বিরুদ্ধে অনিয়ম এর তিন লোন এর মামলা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদক অনুসন্দন করছে।
কোম্পানি গুলো হল।
১.হাসান টেলিকম
২.প্রকৃতি এ্যাসোসিয়েটস
৩. হেডওয়ে
এ বিষয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক মহাখালী শাখায় প্রতিবেদক তথ্য যাচাইয়ে গেলে কোন ধরনের সহযোগিতা না করে ব্যস্ততার অযুহাতে শাখাটির সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট খান মোহাম্মদ মোরশেদ আজিজ জানান, সকল নিয়ম মেনেই ঋণ প্রদান করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ব্যবস্থাপক কোন কথা বলবেন না। অন্যদিকে, তথ্য যাচাইয়ে মরগেজ রাখার কোন কাগজ বা প্রমাণ দেখানো যাবে কি না জানতে চাইলে, তিনি এ ধরনের কোনো সহযোগিতা করতে পারবেন না বলেও জানান। সূত্র: দৈনিক অভিযান

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *