বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ২০২০ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল এর নেতৃত্বে ১০ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে ৩২ ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল। এরপর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দিবসটি খুবই গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা অর্জন করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে নাই। কারণ যাঁর নেতৃত্বে এই দেশ, তিনি তখন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি। তিনি যতক্ষণ ফিরে না এসেছেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারে নাই। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জনের আনন্দ উপভোগ করে। এই দিবসটি জাতীয়ভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা উচিত। তিনি আরো বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ইতিহাস-ঐতিহ্য শিক্ষাক্রমের সকল স্তরে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. করিম, নির্বাহী সদস্য মো. দুলাল মিয়া ও মো. মাসুদ আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর চেয়ারম্যান এস. এম. জহিরুল ইসলাম, সংগঠনের সদস্য ড. ছিদ্দিকুল ইসলাম জাহিদ, লায়ন খান আক্তারুজ্জামান, মো. আব্দুল হালিম মাস্টার, মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, মো. আনোয়ার হোসেন, শামীমা স্বাধীন স্মৃতি, মো. আব্দুল মান্নান ইমরান, মো. জামাল সিকদার, সংগঠনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাজীবুল ইসলাম রাজীব, মো. আনোয়ার হোসেন আনু প্রমুখ। এছাড়াও কর্মসূচির প্রারম্ভে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল-এর নেতৃত্বে ঢাকার কলাবাগান থেকে ৩২ ধানমন্ডি পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।