শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজ উদ্বোধন শনিবার

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজ উদ্বোধন শনিবার
শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজ উদ্বোধন শনিবার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে আগামী শনিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ১০টায় এর উদ্বোধন করবেন।

ক্রমবর্ধমান ফ্লাইটের চাপ সামলাতে এই বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মূল টার্মিনালের দক্ষিণ পাশে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে সুপরিসর ও অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত এই টার্মিনাল। এর মধ্যে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা দেবে ১১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংস্থান করবে বাংলাদেশ সরকার। ইতিমধ্যে প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান, ভূমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০২৩ সালে এই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তৃতীয় টার্মিনালের নকশায় রয়েছে ২৪টি বোর্ডিং ব্রিজ, যদিও প্রথম ধাপে নির্মাণ করা হবে ১২টি। পরবর্তীকালে প্রয়োজন অনুযায়ী বাকি ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ ধাপে ধাপে নির্মাণ করা হবে। যাত্রীদের তৃতীয় টার্মিনালে চেক ইন বেল্ট থাকবে ১৩টি। আগত যাত্রীদের চাপ সামলাতে ও যানজট এড়াতে বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযোগ সড়কেও আসবে পরিবর্তন। একই সঙ্গে হোটেল লা মেরেডিয়ানের কাছেই বিমানবন্দরে ঢোকার মূল সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিমানবন্দরের সঙ্গে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যুক্ত করতে সাবওয়ে নির্মাণ করা হবে। নতুন কার্গো ভিলেজের আয়তন হবে ৪১ হাজার ২০০ বর্গমিটার। ভিভিআইপি কমপ্লেক্স ৫ হাজার ৯০০ বর্গমিটার। পার্কিং অ্যাপ্রন হবে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০ বর্গমিটার। এছাড়া র্যা পিড এক্সিট অ্যান্ড কানেকটিং ট্যাক্সিওয়ে, তৃতীয় টার্মিনাল ভবনের সঙ্গে মূল এয়ারপোর্টের সড়কের কানেকটিভিটি তৈরি করা হবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, শুরুতেই তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী সেবার মানের দিকে নজর দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ আউটসোর্সিংয়ে দেওয়া হবে। টেন্ডারের মাধ্যমে এই আউটসোর্সিংয়ের কাজ ছেড়ে দেয়া হবে বেসরকারি খাতে। এতে সেবার মান বাড়বে, সহজ হবে ফ্লাইট পরিচালনা।