শিরোনাম:

সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ টাকায় জমি কেনার তথ্য ফাঁস

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
  • 152 পড়া হয়েছে
সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ টাকায় জমি কেনার তথ্য ফাঁস
সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ টাকায় জমি কেনার তথ্য ফাঁস

স্টাফ রিপোর্টার: যমুনা অয়েল কোম্পানীর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোঃ এয়াকুব এর বিরুদ্ধে ছিলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ। অবশেষে উন্মোচিত হলো এক অজানা তথ্য। চাঁদাবাজি আর দূর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এ সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে এবার উঠে এসেছে ৪২ লক্ষ্য টাকার জমি কেনার তথ্য।গত ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারী চট্টগ্রাম মৌজা দক্ষিণ পতেঙ্গায় তিনি এ জমি ক্রয় করেন। যার বায়না দলিল নং-১২৬৫।

উল্লেখ্য গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে “সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ” হেড লােইন দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় খবর। যার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে উপরে উল্লেখিত জমি কেনার তথ্য।

গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে প্রকাশিত সংবাদ- যমুনা অয়েল কোম্পানীর নিয়োগ ও বদলীর ক্ষেত্রে সিবিএর দাপুটে নেতারা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, কোম্পানীর কর্মকর্তা কর্মচারীর নিয়োগ, বদলী, পদবী পরিবর্তন, ক্যাজুয়েল এবং কন্ট্রাক্টার ক্যাজুয়েল নিয়োগ, ফার্নেস অয়েল, বিটুমিনসহ বিভিন্ন খাতে সিবিএ নেতারা মাসোহারা নেন। এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করলে উক্ত প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক বদলী কিংবা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করে ইউনিয়ন সদস্যপদ খারিজসহ নানা প্রকার নির্যাতন চালানো হয়। আর এই অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকান্ডের যিনি নেতৃত্ব দেন তিনি হলেন যমুনা অয়েল কোম্পানীর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোঃ এয়াকুব ও তার সহযোগী সিবিএর সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান।

এ প্রসঙ্গে ২০১৪ সালের মে মাসে তৎকালীন যমুনা অয়েল কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ মোহাম্মদ এয়াকুব এর বিরুদ্ধে আমরা কিছু অভিযোগ পেয়েছি, যা তদন্ত হচ্ছে। তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অনেক সম্পদ অর্জন করেছেন বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে”। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মোহাম্মদ এয়াকুব ১৯৯৪ সালে দৈনিক ভিত্তিতে চাকুরীতে যোগদেন। ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার চাকুরী স্থায়ী হয়। তিনি এখন কম্পিউটার অপারেটর পদে আছেন, যা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর পদ। এয়াকুবের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ২০১৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন তাদের উপ-মহা-ব্যবস্থাপক এটিএম সেলিমকে প্রধান করে ১ সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে। যা ২৪ শে জুন ২০১৪ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা বেধে হেওয়া হয়েছিল। এর আগেও অনেক জাতীয় গণমাধ্যমে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত সূত্র জানা যায়, গুরুত্বর অভিযোগ ও সেই প্রেক্ষিতে তদন্তের পরেও মোহাম্মদ এয়াকুব ও তার সহযোগী মোঃ আব্দুল মান্নান তাদের অনৈতিক কার্যকলাপ দাপটের সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগের তোয়াক্কা না করে তারা অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *